1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অধ্যাপক আনোয়ারা হোসেন এর স্বরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পলাশে আর্জেন্টিনার ৩ হাজার ৩০০ ফুট পতাকা নিয়ে র‍্যালি করে ইতিহাস গড়লেন সমর্থকরা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শিবপুরে শ্রমিকদল নেতার সংবাদ সম্মেলন ঘোড়াশালে পুকুরে বিষ দিয়ে ৫ লাখ টাকার মাছ নিধন, নতুন উদ্যোক্তার আর্তনাদ নরসিংদীতে যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ মানবতার আলোকবর্তিকা ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো: ইকরাম হোসেন ঘোড়াশালে ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সিএনজি চালকদের কর্মবিরতি ‎ পলাশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে জাকির হোসেন মিকোয়ান রায়পুরায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতি ম্যুরাল ‘বাংলার ঈগল’ উদ্বোধন নরসিংদীতে ঈদের বর্জ্য অপসারণে দিন-রাত মাঠে ভিপি খবিরুল

ঘোড়াশাল ট্রাজেডি দিবস আজ

সাব্বির হোসেন | নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১১১৬ বার
183

আজ ৬ ডিসেম্বর ঘোড়াশাল ট্র্যাজেডি দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ৯ দিন বাকি থাকতে দেশজুড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাক হানাদার বাহিনী। এরই মধ্যে তৎকালীন কালীগঞ্জ থানার ঘোড়াশালের আটিয়াগাঁও গ্রামের আবুল কাসেমের বাড়িতে হানাদার বাহিনী সর্বশেষ হত্যাকাণ্ডটি চালায়। আজও এলাকাবাসী বিজয়ের মাস এলে গভীর শোকে বিহ্বল হয়ে পড়ে।

ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুল হক ও স্থানীয়রা জানান, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে আবুল কাসেমের বাড়ির দুই দিক থেকে ঘেরাও করে আক্রমণ শুরু করে পাকহানাদার এবং রাজাকার বাহিনী। এ সময় তার বাড়িসহ আশে পাশের আরো ১০/১২টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

তখন আবুল কাসেম তার পরিবার নিয়ে ঘরের ভেতর একটি মাটির গর্তে লুকিয়ে থাকেন। পালিয়ে থাকা ৩২ নারী- পুরুষ শিশুসহ একটি মাটির ঘরের দরজা ভেঙ্গে হানাদার বাহিনী তাদের উঠানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে দেয়। আচমকা নরপিশাচদের আগ্নেয়াস্ত্র গর্জে ওঠে। বাড়ির উঠানেই ঢলে পড়ে ১৮ নারী, পুরুষ ও শিশু।

গুরুতর আহত হন ৬ জন। এমন পরিস্থিতিতে পালিয়ে থাকা আবুল কাসেম মাটির গর্তে অজ্ঞান হয়ে যান। সেদিন শহীদ হন মোকছেদ আলী, মালাবঙ্, শাহাজাহান, রহম আলী, আ. হেকিম, হযরত আলী, আম্বিয়া খাতুন, মজিদা, শিশুপুত্রসহ আয়শা, শাহাজউদ্দিন শাহা, নেহাজউদ্দিন চুইল্লা ও নেজু প্রমুখ।

এদিকে স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর মৃত্যুবরণ করেন আবুল কাশেম, যার বাড়িতে সর্বশেষ হত্যাকান্ডটি চালিয়েছিল পাক হানারদার বাহিনী। কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছরে শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় সরকারীভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

নরসিংদীর কন্ঠস্বর / সাব্বির হোসেন 

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT