বাড়িতে বাবার মরদেহ। স্বজনরা কাঁদছেন। বুকে সেই কষ্ট জমা করেই পরীক্ষা হলের উদ্দেশে রওনা দিলেন সুমাইয়া। হলে বসে পরীক্ষা শেষ করে পৌঁছালেন বাড়িতে। বাড়িতে পৌঁছেই হাউমাউ করে কান্না শুরু। বাবা
দুই হাত নেই। ডান পা-ও নেই। বাঁ পা আছে, তাও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা ছোট। পায়ের আঙুলের ফাঁকে কলম রেখে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে হার না মানা প্রতিবন্ধী রাসেল মৃধা। বৃহস্পতিবার