1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নরসিংদী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন প্রাক্তন ছাত্র মাখন দাস শিবপুরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন নরসিংদীতে প্রচারণায় ব্যস্ত মেয়র প্রার্থী ভিপি খবিরুল ইসলাম বাবুল পলাশে যুবককে হত্যার জেরে অভিযুক্তের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে এলাকাবাসী নরসিংদীতে ওসি’র নির্দেশে ৫০ বোতল নিষিদ্ধ স্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নরসিংদীতে মল্লিকা সাহা শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত পলাশে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও জরিমানা গ্রামের উন্নয়ন না করলে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: মঈন খান রায়পুরায় ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেলেন সোহাগ খান রাষ্ট্রীয় পদক পেলেন পলাশের গর্বিত সন্তান ফায়ার ফাইটার শুভ দে

পলাশে গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে সুস্বাদু লটকন

সাব্বির হোসেন | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৭২ বার
36

সাব্বির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় সুস্বাদু মিষ্টি লটকনের চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলছে। এ উপজেলার ঘোড়াশাল ও রাবানের আনারসের পরই সুমিষ্ট লটকন চাষে এগিয়ে এসেছে ফল চাষীগণ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লটকন গাছের মগডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে লটকন ফল।

সুস্বাদু লটকন ফল এখন পছন্দের তালিকায় সবার। এ ফল লাভজনক থাকায় পলাশের ব্যবসায়ীরাও লটকন বিক্রিতে ঝুকেছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের মোড়ের ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতেও শোভা পাচ্ছে লটকন ফলের ঝুড়ি। আর উপজেলার ক্রেতা ছাড়াও ঢাকার আশে পাশের জেলার ক্রেতারও এসব হাট-বাজার থেকে লটকন ফল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

লটকন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন চাষিরাও। আর্থিক লাভের কারণে চাষিদের মধ্যে লটকন চাষে উৎসাহের পাশাপাশি প্রতি বছরই এখানে বাড়ছে বাগানের সংখ্যা। বর্তমানে উপজেলার জিনারদীর লালমাটির টেঙ্গর এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত মণ লটকন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের পাশাপাশি বিদেশেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি লটকন ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পলাশে ২০ বছর আগেও লটকনের স্বতন্ত্র বাগান ছিল না। তখন অন্যান্য ফলগাছের সাথেই দু-একটি গাছ লাগানো হতো। লটকন চাষীরা জানান, পূর্বসময়ে লটকনের তেমন চাহিদা ছিল না, দামও ছিল কম, সে কারণে কেউ লটকনের স্বতন্ত্র বাগান করার চিন্তা করত না। বর্তমানে চাহিদা ও মূল্য দু’টিই বেড়েছে।

উপজেলার রাবান, বরাবো, কুড়াইতলী, কাঁটাবের, ভালুকাপাড়া ও বরাবোসহ জিনারদীর ৩১টি গ্রামের প্রায়ই সব এলাকায় ফল চাষীরা বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছেন লটকন বাগান। এই সব এলাকা ঘুরে দেখা গেছে প্রায় সব জায়গায়ই গাছে লটকন ঝুলে আছে থোকায় থোকায়। গাছে গাছে পাকা কাঁচা লটকনের সমাহার। নয়নাভিরাম মনকাড়া এক সুন্দর দৃশ্য।

লটকন চাষী সমির দাস জানান, আম, কাঁঠাল আর আনারসের সাথে লটকন এখন আমাদের আর একটি অর্থকড়ি ফল। গ্রীস্মকালীন ফল হিসেবে লটকন আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এবার জঙ্গলের ফল লটকন পেয়েছে জিআই পণ্যের শিকৃতি।

অন্যান্য ফলের চেয়ে লটকনের ফলন অনেক বেশি হয় বলে কৃষকেরাও অধিক লাভবান হচ্ছেন। লটকন গাছের কাণ্ডে এবং ডালপালায় ফলে। গাছের পুষ্টির সুষমতা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গাছের গোড়া থেকে প্রধান কাণ্ডগুলোতে থোকায় থোকায় এত বেশি ফল আসে যে, তখন গাছের কাণ্ড বা ডাল দেখা যায় না।

লটকন চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মৌসুম খরাতে পড়ায় লটকনের গুটি ঝরে যাওয়ায় ফলন অনেক কমে গেছে। রাবানের প্রান্ত মিত্র, পলাশতলীর জীবন মিত্র কুড়াইতলীর তাপস পাল একই কথা বলেছেন। তারা বলেছেন এবার ফলন গতবারের চেয়ে অনেকাংশে কম হয়েছে। এদিকে আরেক চাষী পরিতোষ রায়ের বাগান ৭১ শতাংশ, রামকৃষ্ণ রায়ের ১৪২ শতাংশ। তাদের বক্তব্যও এবার বৈরী খরার কারনে ফলন ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

পলাশ উপজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার জানান, উপজেলায় এবার ৮ হেক্টর জমিতে লটকন চাষ হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে লটকন চাষে চাষীদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT