1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাধবদীতে শহীদ পাভেল ও তাঁর ৩ বন্ধুর ১০ম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত দিদির জন্য হুইলচেয়ার চাইতে ইউএনওর কাছে তুলি, নতুন জামায় ফুটল মায়াভরা হাসি সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে বেলাবোতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন নরসিংদীতে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ পালিত রায়পুরা থানায় নতুন দুই গাড়ি হস্তান্তর করলো এমপি আশরাফ উদ্দিন বকুল খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে নরসিংদীতে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ রায়পুরায় তুলাতলী প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রায়পুরায় ‘হিউম্যানিটিক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ ও ওপেন কনসার্ট অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ, আহত ৪ বেলাবোতে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার জমকালো উদ্বোধন

ঘোড়াশালে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদীর কন্ঠস্বর
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ৮০৬ বার
Oplus_131072
843

নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর পলাশে যৌতুকের দাবিতে প্রবাস ফেরত স্ত্রী সুমি আক্তারকে (২৩) গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী নূর আলম রূপা (৩০)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নরসিংদী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আলী আহসান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি নূর আলম রুপা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার উত্তর মিয়াপাড়ার আবদুর রহিমের ছেলে নূর আলম রূপার সঙ্গে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তালজংগা এলাকার ফজলু মিয়ার মেয়ে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। এরপর থেকে তারা উত্তর মিয়াপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রূপা যৌতুকের দাবিতে সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে শুরু করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে সুমির বাবা, যিনি পেশায় রিকশাচালক, কয়েক দফায় রূপাকে দুই লাখ টাকা দেন। পরে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হলে তা দিতে না পারায় সুমির ওপর আবারও নির্যাতন চালানো হয়।

পরিস্থিতির একপর্যায়ে সুমি জীবিকার জন্য বিদেশে যান। সেখান থেকে স্বামী ও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিয়মিত অর্থ পাঠালেও, অভিযোগ অনুযায়ী, রূপা সেই অর্থ সঞ্চয় না করে বিভিন্নভাবে খরচ করেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে ফেরার পর রূপা একটি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার দাবি করেন। এ সময় সুমি তার পাঠানো টাকার হিসাব চাইলে তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয় এবং নির্যাতন আরও বেড়ে যায়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় পরিকল্পিতভাবে সুমিকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে চার বছরের ছেলে ইলমীকে কৌশলে এক আত্মীয়ের বাসায় রেখে পালিয়ে যান রূপা। পরে পরিবারের সদস্যরা ভাড়া বাসায় গিয়ে মেঝেতে সুমির মরদেহ দেখতে পান।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা ফজলু মিয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT