1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্ত্রী হওয়ায় নির্বাচনী এলাকায় বইছে আনন্দের বন্যা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নরসিংদীর সারোয়ার হোসেন মৃধা রায়পুরায় নতুন থানা গঠন: চররায়পুরা থানা উন্নয়ন কমিটির আত্মপ্রকাশ ব্রাহ্মন্দী কামিনী কিশোর মল্লিক কেন্দ্রে গণতন্ত্রের উৎসব, ধানের শীষের নিরঙ্কুশ জয় বকুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় বেলাব-মনোহরদীর জনগণ বিএনপি নির্বাচিত হলে ১৬ বছরের দুঃসহ যন্ত্রণার লাঘব হবে: ড. মঈন খান ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’ প্রকাশ করল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রায়পুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধে কিশোর নিহত, আহত ১০ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ডাকসুর প্রথম ভিপি মনু মিয়ার ১০৪ তম জন্মদিন পালন নারীদের প্রতি জামায়াত আমীরের অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে বেলাবতে মানববন্ধন

হাসপাতাল ফর্মের কেয়ার অফ’ কে ‘স্বামী’ দাবি করে প্রতারণার অভিযোগ নীলার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদীর কন্ঠস্বর
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭১ বার
Oplus_131072

হাসপাতাল ফর্মের কেয়ার অফ’ কে ‘স্বামী’ দাবি করে প্রতারণার অভিযোগ নীলার বিরুদ্ধে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেছেন, নীলা ইস্রাফিলের বিরুদ্ধে হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত ফরমে ‘স্বামী’ উল্লেখ করে তার নাম প্রচারের অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সারোয়ার তুষারের ভাষ্যে, নীলা ইস্রাফিল মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তাদের অফিসে আসেন। তখন তারা পুলিশ ডাকেন এবং পরিচিত মানবাধিকার কর্মী জনাব লেনিনকে খবর দেন। পুলিশের উপস্থিতিতে লেনিনসহ নীলাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি প্রক্রিয়ায় কী লেখা হচ্ছে, তা তখন খেয়াল করার সুযোগ ছিল না বলে তিনি জানান। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ফরম পূরণ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, “এখন দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ভর্তি ফরম ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে লাল দাগ দিয়ে ঢেকে দেওয়া অংশে C/O (Care of) লেখা ছিল, অথচ প্রচার করা হচ্ছে আমি নাকি স্বামীর ঘরে নিজের নাম লিখেছি। আমি কি পাগল? বাটপারির একটা সীমা থাকা দরকার।”

হাসপাতালের নিয়ম প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার বলেন, নারীর ক্ষেত্রে ভর্তি ফরমে স্বামী বা পিতার নাম লিখতে হয়, অথবা রোগীকে যিনি নিয়ে এসেছেন তার নাম উল্লেখ করা হয়। কোনো রোগীর পিতা বা স্বামীর নাম না জানা থাকলে ‘C/O’ লিখে ভর্তি করানো ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়। পিতা বা স্বামীর ক্ষেত্রে আলাদা টিক চিহ্ন দেওয়ারও প্রচলন রয়েছে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, “এটি হাসপাতালে ভর্তি করার এক অতি সাধারণ রীতি। রোড অ্যাক্সিডেন্ট বা অচেনা-অজানা লোকজনকে ভর্তি করানোর সময়ও একই নিয়ম মানা হয়। এই ধরনের প্রতারণা ও বাটপারি বন্ধ করতে হবে।”

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT