1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রায়পুরায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায় ছেলের মৃত্যু ঘোড়াশালে প্লাস্টিক কারখানার পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু মনোহরদীতে স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ স্কুল ছাত্র লামিম, থানায় বাবার জিডি পলাশে প্রবাসীর বাড়ি থেকে ৭ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি নরসিংদীতে বাবার ভালোবাসা ও ত্যাগের গল্পে সাজাল পূজামণ্ডপ পলাশে রিকের প্রকল্প সমাপনী ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সভা অনুষ্ঠিত মহাখালীতে প্রবীর সাহার রক্ষাকালী মন্দির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মাধবদীতে ট্রাকের সংঘর্ষ এড়াতে অটো উল্টে সাংবাদিকের স্ত্রী-সন্তানসহ আহত ৬

মাধবদীতে হারপিক খেয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু, বাবা গ্রেপ্তার

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯২ বার
Oplus_131072

নরসিংদী প্রতিবেদক: নরসিংদীর মাধবদীতে পারিবারিক কলহের জেরে একই পরিবারের তিন সদস্য বিষপান করেছেন। এতে মা ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আড়াই বছর বয়সী এক ছেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নিহত উর্মির মা নার্গিস বেগম মাধবদী থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই শিশুদের বাবা মিলন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ।

এর আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া একটার দিকে মাধবদী পৌরসভার আনন্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন মিলন মিয়ার স্ত্রী উর্মি বেগম (২২) ও তাঁর মেয়ে মিম (৫)। চিকিৎসাধীন শিশুটির নাম আবির হোসেন, বয়স আড়াই বছর। মিলন পেশায় গাড়িচালক। তাঁরা মাধবদী থানার কান্দাপাড়া এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে উর্মি ও তাঁর স্বামী মিলনের মধ্যে ঝগড়া ও মনোমালিন্য চলছিলো। বুধবার ঝগড়ার একপর্যায়ে মিলন উর্মিকে জুতা দিয়ে মারধর করেন। এরই জেরে উর্মি দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে যান। পরে মাধবদী পৌরসভার আনন্দী এলাকায় গিয়ে উর্মি হারপিকের বিষ জাতীয় তরল পদার্থ পান করেন এবং দুই শিশুকেও তা পান করান। এতে তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উর্মিকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মিম ও আবিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক মিমকে মৃত ঘোষণা করেন। আবিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে স্বামী মিলন ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে শুক্রবার দুপুরে নরসিংদীর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT