1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মোল্লা সালেহ’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘হুব্বাঞ্জলি’র মোড়ক উন্মোচন ঢাবি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অব পলাশ (ডুসাপ)-এর নতুন কমিটি ঘোষণা মনোহরদীতে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু তোলে বিক্রি, ৪ ট্রলি জব্দ রায়পুরায় মেঘনায় ডাকাতদলের গুলিতে এক জেলের মৃত্যু পলাশে হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রী, ১৬ ডাক্তারের মধ্যে অনুপস্থিত ৮ নরসিংদীর মাধবদীতে চার সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ০১ তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের ৬ সার কারখানার ৫টিই বন্ধ মনোহরদীতে ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে ভেক্যু ও ট্রলি জব্দ নরসিংদী কর আইনজীবী সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত প্যারোলে মুক্তি পেয়ে শিবপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন আপন দুই ভাই

নরসিংদীতে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, ২ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদীর কন্ঠস্বর
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩
  • ৬৩২ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক :  নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদীর থানা এলাকার ভগিরথপুরে একটি ডায়িং কারখানায় নেজামুল ইসলাম ওরফে নাজমুল (৩৫) নামের এক শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই শ্রমিককে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

পরে তাদের গ্রেপ্তার করে সোমবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর আদালতে তোলা হয়। এর মধ্যে একজন হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তার দুইজন জানান, রঙের ড্রাম খোলার ধাতব যন্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর তার লাশ টেবিলের ওপর উপুড় করে ফেলে রেখে যান তারা।

রোববার ভোর চারটার দিকে রাতের পালায় কাজ চলার সময় সদর উপজেলার মাধবদীর ভগীরথপুর এলাকার নীলা ডায়িং প্রিন্টিং ও ফিনিশিং মিলের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। পরে সকাল ১০টার দিকে মাধবদী থানার পুলিশ ওই কক্ষ থেকে নেজামুলের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে ৯ জন শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নিহত নেজামুল ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চুডবাজার এলাকার নেহালিয়াকান্দা গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের ছেলে। তিনি চার বছর ধরে ডায়িং কারখানার রং ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে হত্যার ঘটনায় রোববার রাতেই মামলা করেন নেজামুলের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম।

এ মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তারা হলেন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের বাইনগর গ্রামের জহিরুল মিয়া (২৫) ও নেত্রকোনার কেন্দুয়ার পাড়াতলী গ্রামের আবুল কালাম (২২)। জহিরুল মাধবদী আমলি আদালতের বিচারকের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁরা দুজনই কারখানাটির রং মাস্টার।

পুলিশ বলছে, লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হয়। ওই সময় নেজামুলের কক্ষে কারা কারা আসা-যাওয়া করেছেন, তা শনাক্ত করা হয়। তবে কে বা কারা হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত, তা জানা যাচ্ছিল না। কারণ, তার কক্ষটি ছিল সিসিটিভি ক্যামেরার আওতামুক্ত।

পরে ওই কক্ষে আসা-যাওয়া করা রাতের পালার মোট ৯ জন শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। গতকাল দিনভর ও রাতভর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখালে একপর্যায়ে ওই দুজন হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে জানান, দুজন মিলে রং ইনচার্জকে হত্যা করেছেন। বাকি সাতজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে আসামীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হই। কারখানার রং ইনচার্জের দায়িত্ব পেতে নেজামুলকে পরিকল্পিতভাবে রঙের ড্রাম খোলার ধাতব যন্ত্র দিয়ে ওই দুজন মিলে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর লাশ টেবিলের ওপর উপুড় করে রেখে তাঁরা দুজন অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়ে যাওয়ার বিষয়টি তাঁরা বুঝতে পারেননি।

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT