
মোমেন খান, নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর শিবপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নেন বিস্ফোরক মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন ও তার ছোট ভাই আওলাদ হোসেন।
রবিবার ( ১মার্চ ) দুপুরে মুনসেফেরচর (ইটাখোলা) ঈদগাহ মাঠে তার বাবার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। দাফন শেষে পুলিশের গাড়িতে করে তাদের আবার নরসিংদী জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার রাতে মনির হোসেনের বাবা আবদুল সাত্তার মিয়া (৭০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পুলিশ জানায়, মৃত্যুর পর বাবার জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য মনির হোসেন ও আওলাদ হোসেনের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন জানান। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ৩ ঘণ্টার জন্য তাদের প্যারোল মুঞ্জুর করেন। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ পাহারায় তাদের নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পুটিয়া ইউনিয়নের মুনসেফেরচর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে দুই ভাই প্রথমে বাড়িতে গিয়ে মৃত বাবাকে দেখেন। পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দেন। এরপর হাতকড়া পরেই বাবার জানাজায় অংশ নেন। জানাজা পূর্বে বাবার জন্য দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মনির হোসেন।
এছাড়া জানাজা পূর্বে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আবদুল মান্নান ভুইয়া পরিষদের সদস্য সচিব আরিফ উল ইসলাম মৃধা, উপজেলা জামায়াতের আমির মোস্তাফিজুর রহমান কাওসার, নরসিংদী ইন্ডিপেন্ডেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মৃধা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহেদুজ্জামান শাহেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন, আয়ুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের খন্দকার, কুমরাদী মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল জলিল, বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হোসেন গাজী, মুনসেফেরচর শাহী ঈদগাঁ কমিটির ইকবাল ভূইয়া।
উল্লেখ্য, বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় গত ১৫ জানুয়ারি শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন ও তার ছোট ভাই আওলাদ হোসেনকে মুনসেফেরচর গ্রামের বাড়ি থেকে আটক করে শিবপুর মডেল থানার পুলিশ।