
মোমেন খান, নিজস্ব প্রতিবেদক:.নরসিংদীর শিবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সালিশ চলাকালীন সময়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের বিলসরন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।।অভিযোগের ভিত্তিতে আজিজ শেখের ছেলে মোমেন শেখ ও জালাল উদ্দীনের ছেলে নাছির উদ্দীন ও আল আমিনকে আটক করেছে শিবপুর মডেল থানার পুলিশ।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, বিলসরণ গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে আল-আল-আমিন ও ছইদ এর সাথে প্রতিবেশী আজিজ শেখের ছেলে মোমেন শেখের মাঝে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো। বিষয়টি সমাধানের জন্য শনিবার দুপুরে সালিশে বসে। সালিশ চলাকালীন কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ। এসময় শিবপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বাবুল মৈশান, মোমেন শেখসহ দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়।
মোমেন শেখের পরিবারের সদস্যরা জানান, সালিশ চলাকালীন সময়ে শিবপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এ্যড. মাহমুদুল হাসান বাবুল মৈশান, আল আমিন, ছইদ, জালাল উদ্দিন, সোহেল, জুয়েল, শাহাদত ও দিনা সহ অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জন মোমেন শেখসহ তার পরিবারের সদস্যদের মারধর, মোটরসাইকেল ও বাড়ি ঘরে ভাংচুর চালায় এবং টাকা পয়সা, মোবাইলসহ স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বীকার করে শিবপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এড. বাবুল মৈশান বলেন, আমি আইনজীবী হিসেবে আইনী সহায়তা দিতে তাদের দুই পক্ষের অনুরোধে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সমাধানের জন্য শালিসে উপস্থিত হই। তখন মোমেন গং সালিশ না মানিয়া উত্তেজিত হয়ে যায়, একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়েছে।
সালিশের সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিশে বসলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এখানে আমাদের দাওয়াতে আইনজীবী হিসেবে এডভোকেট বাবুল মৈশান উপস্থিত ছিলেন।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বিলশরণ গ্রামে দুই পক্ষের মাঝে মারামারি হয়েছে। দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই পক্ষের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।