
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্বে আসার পর জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে দেশে একটি অবাধ সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।
কিন্তু সেই নির্বাচন যখন প্রলম্বিত হচ্ছিল- সংস্কার ও বিচারের কথা বলে, তখন আমরা দেখতে পেলাম দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা তখন বুঝতে পারলেন বিএনপির সঙ্গে আপস করেই দেশ চালানো সম্ভব। আর এটা বুঝতে পেরেই অন্তর্বর্তী সরকার লন্ডনে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্তকে দেশের ১৮ কোটি মানুষসহ সব রাজনৈতিক দল অভিনন্দন জানিয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই সিদ্ধান্তকে দেশের একটি ধর্মব্যবসায়ী সংগঠন এবং এর সঙ্গে এনসিপি ভালোভাবে নিতে পারেনি। তারা দেশে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সেই আশা বাস্তবায়ন হতে কখনও দেবে না।
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত মাধবদীর পৌর ছাত্রদলের কর্মী শাওনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাধবদী থানা, পৌরসভা ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়োজিত স্মরণ সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খায়রুল কবির খোকন বলেন, নরসিংদী জেল ভাঙার ঘটনায় আমাকে এক নম্বর আসামি ও আমাদের নেতাকর্মীদের আসামি করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং আমাদের ক্রসফায়ারে নেওয়ারও পরিকল্পনা করেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার। যদি এ আন্দোলন সফল না হতো, তবে আমাদের কবর রচনা হয়ে যেত। আল্লাহর অশেষ রহমতে এ আন্দোলন সফল হয়েছে।
নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদের সভাপতিত্বে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু, শাহেন শাহ সোহেল, মাধবদী শহর যুবদলের আহ্বায়ক সুলাইমান ভূঁইয়া, সদস্য সচিব জোবায়ের নকিবসহ বিএনপির অন্য নেতাকর্মীরা।