1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মানবতার আলোকবর্তিকা ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো: ইকরাম হোসেন ঘোড়াশালে ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সিএনজি চালকদের কর্মবিরতি ‎ পলাশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে জাকির হোসেন মিকোয়ান রায়পুরায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতি ম্যুরাল ‘বাংলার ঈগল’ উদ্বোধন নরসিংদীতে ঈদের বর্জ্য অপসারণে দিন-রাত মাঠে ভিপি খবিরুল ৯০ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে ইসলাম টিকে থাকুক সেটা আ.লীগ চায়নি: মঞ্জুর এলাহী নরসিংদীতে পৃথক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৩ জন নিহত পলাশে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত বর্তমান সরকার এদেশের সকল মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে : মঈন খান নরসিংদী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন প্রাক্তন ছাত্র মাখন দাস

পলাশে ৪ হাজার মুরগীর মৃত্যু, পল্লীবিদ্যৎ অফিস ঘেরাও

সাব্বির হোসেন | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪
  • ৬৭৯ বার
52

সাব্বির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি পোল্টি খামারে প্রায় ৪ হাজার ব্রয়লার মুরগি মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভয়াবহ লোডশেডিং ও প্রচণ্ড গরমে মুরগিগুলো মারা গেছে বলে দাবি করেছেন খামার মালিকরা। মারা যাওয়া প্রতিটি মুরগির ওজন দেড় থেকে দুই কেজি ছিল বলে জানান তারা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত এসব খামারিরা নরসিংদী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ১ এর তালতলী সাব জোনাল অফিসের সামনে মরা মুরগী নিয়ে অবস্থান করে অফিস ঘেরাও করে রাখে। এসময় এসব খামারিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। জোনাল অফিসের দায়িত্বরতরা এসব খামারিদের দেখে অফিসের মূল গেটে তালা লাগিয়ে ভিতরে বসে থাকে।

এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিনই প্রচণ্ড গরম পড়ছে। পাশাপাশি ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে পুরো এলাকা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে বিদ্যুতের জন্য বার বার ফোন দিয়েও কোনো সাড়া পাননি খামার মালিকরা।

‘মুরগিগুলো চোখের সামনে একে একে মারা যায়’ মন্তব্য করে খামার মালিক মোহসীন বলেন, আমার একাই প্রায় ৩ হাজার মুরগী মারা গেছে। এছাড়াও আমার স্বজন ও আশে পাশের খামারিদেরও মুরগী মারা গেছে। খুব কষ্টে মুরগিগুলো লালন-পালন করেছি। এত গরমের মধ্যে যদি এত লোডশেডিং হয় তাহলে কীভাবে চলে? বার বার পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে ফোন দেওয়ার পরও লোডশেডিং কমছে না। সরকারের কাছে আমরা ক্ষতিপূরণ চাই। তা না হলে আমাদের পথে বসতে হবে।

লোডশেডিংয়ে মুরগী মরে যাওয়ার বিষয়ে ঘোড়াশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো: আকবর হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। জিনারদী ইউনিয়নের কিছু অংশ আমার অধিনে হলেও তালতলী জোনাল অফিস আমার অধিনে নয়। লোডশেডিং কমানোর ব্যাপারে আসলে আমাদের কিছু করার নেই, আমরা যতটুকু বিদ্যুৎ পাচ্ছি ততটুকুই দিচ্ছি। এর বাহিরে কিছুর করার নেই।

পলাশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত খামারীরা যদি উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের বরাবর আবেদন করে আর যদি আমাদের বরাদ্দ থাকে তাহলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT