1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রায়পুরায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে কথা বলার শক্তি হারালো স্কুল ছাত্রী পলাশে হাঁটু পানির মধ্যে সড়ক ঢালাই, তোপের মুখে ঢালাই তুললেন ঠিকাদার পলাশে ইতালি প্রবাসীর স্ত্রী টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে উধাও শিবপুরে সাবেক মেম্বার সুরাইয়ার বিরুদ্ধে গাছ কর্তন ও জমি দখলের অভিযোগ শিবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় নরসিংদী সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী মনসুরের বদলি প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পলাশের বন্ধ কো-অপারেটিভ জুটমিল চালুর প্রক্রিয়া শুরু: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বেলাবোতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত বেলাবোতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

রায়পুরায় পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদীর কন্ঠস্বর
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৯০ বার
Oplus_131072
18

নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদী রায়পুরায় পারিবারিক কলহের জেরে আল আমিন (২৫) এক যুবক গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।  নিহতের পরিবারের দাবি নিহত আল আমিনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে প্ররোচনা দিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে।

আল আমিন উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে। প্রায় বছর খানেক পূর্বে প্রেম করে বিয়ে করে সে এবং স্ত্রীকে নিয়ে রায়পুরা পৌর এলাকার রামনগর হাটি একটি সাততলা ভবনের পাঁচতলায় ভাড়া বাসায় থাকতো।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১২ টার দিকে আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারে রায়পুরা থানা পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গলায় ওড়না পেচিয় সিলিং ফ্যানের নিথর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ এসময় রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পায়। পরে সজোড়ে ধাক্কাধাক্কি করেও দরজা না খুলতে পেরে ওয়েল্ডিং মেশিন দিয়ে জানালার গ্রীল কেটে ভিতরে  প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।  স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহে জেরে আত্মহত্যা করেছে বলে নিহতর স্ত্রী রিয়া জানায়।
নিহতের মা সালেহা বেগম জানায়, সকাল ৯ টার দিকে মোবাইলে ছেলের সাথে কথা বলেন তিনি। এসময় ধান কাটার জন্য তার বাবা বউকে সাথে নিয়ে বাড়ী আসতে বলেছেন বলে ছেলেকে জানান। বিকেল বাড়ী আসবেন বলে ফোন রেখে দেয় ছেলে।  এর ঘন্টা তিনেক পরেই ছেলের মৃত্যূর খবর শুনতে পাই। তবে আমি বলবো আমার ছেলে আত্মহত্যা করেনি, তাকে মারা হয়েছে।

নিহত আল আমিনের বাবা মন্টু মিয়া বলেন, প্রায় একবছর হয়েছে আমার ছেলে নরসিংদীর টাউয়াদী এলাকার মিজান মেয়ে রিয়া মনিকে ভালবেসে বিয়ে করে। কিন্তু সবাই তাদের এ বিয়ে মেনে নিলেও তার ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত রত্না বেগম মেনে নিতে পারেনি। তিনি বিভিন্ন সময় আমার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্য অপকৌশল করেছেন। আজও আত্মহত্যা করেনি। বরং মানসিকভাবে চাপ প্রয়োগে একটু একটু করে তাকে আত্মহত্যা করার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। শেষে তাদের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে গলায় দড়ি দিতে বাধ্য হয় এবং আত্মহত্যা করে।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক তদন্ত পবির কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুপুর ১২ টার দিকে আমরা খবর পায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বেলা বারোটার দিকে জানালার গ্রিল কেটে মরদহ উদ্ধার করা হয়।  ইতিমধ্যে ময়নাতদন্তের জন্য মরদহ নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে অনুমান করছি সে নিজেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে  আত্মহত্যা করেছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT