1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পলাশে হাঁটু পানির মধ্যে সড়ক ঢালাই, তোপের মুখে ঢালাই তুললেন ঠিকাদার পলাশে ইতালি প্রবাসীর স্ত্রী টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে উধাও শিবপুরে সাবেক মেম্বার সুরাইয়ার বিরুদ্ধে গাছ কর্তন ও জমি দখলের অভিযোগ শিবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় নরসিংদী সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী মনসুরের বদলি প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পলাশের বন্ধ কো-অপারেটিভ জুটমিল চালুর প্রক্রিয়া শুরু: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বেলাবোতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত বেলাবোতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ পলাশে মানবতার আলো সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ ও পরিচালনা কমিটি গঠন

মালয়েশিয়ায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে সুমন, অর্থের অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা

এম আজিজুল ইসলাম | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৮৬ বার
15

এম আজিজুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক : মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মোঃ সুমন মিয়া (৪০) নামে এক রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

আহত সুমন নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর এলাকার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে। এ খবর পাওয়ার পর থেকেই সুমনের স্বজনদের কান্না থামছে নাহ।

পরিবার ও নিজের ভাগ্য বদলাতে ২০১৫ সালে কলিং ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান সুমন। চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি দেশটিতে মোটর সাইকেলে চড়ে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয় সুমন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পড়ে যায় সুমন। হাসপাতালের বকেয়া পরিশোধ করে উন্নত চিকিৎসা নিতে গুনতে হচ্ছে অনেক টাকা। পরিবারটি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল হওয়ায় এই বিল পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্ত্রী আশামনি ও সন্তানরা বলছেন, সুমনের অবস্থা উন্নত হচ্ছেনা, তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো প্রয়োজন। স্বজনদের কাছ থেকে লোন করে ইতোমধ্যে কিছু টাকা পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়ায় তার কোন নিকট আত্মীয় না থাকার কারনে সেবা করে তার চিকিৎসা বা খরচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সুমন মিয়ার কিছু হলে তার পরিবার পথে বসার উপক্রম হবে।

‘বাবা মারা গেলে এতিম হয়ে যাবো। আর বাবা ডাকতে পারবো না। বাবাকে বাঁচাতে একটু সহযোগিতা কামনা করেন তার ছেলে সাইফুল ইসলাম৷

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT