1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পলাশে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে সন্তানকে রাস্তায় ফেলে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালেন গৃহবধূ রায়পুরায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে কথা বলার শক্তি হারালো স্কুল ছাত্রী পলাশে হাঁটু পানির মধ্যে সড়ক ঢালাই, তোপের মুখে ঢালাই তুললেন ঠিকাদার পলাশে ইতালি প্রবাসীর স্ত্রী টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে উধাও শিবপুরে সাবেক মেম্বার সুরাইয়ার বিরুদ্ধে গাছ কর্তন ও জমি দখলের অভিযোগ শিবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় নরসিংদী সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী মনসুরের বদলি প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পলাশের বন্ধ কো-অপারেটিভ জুটমিল চালুর প্রক্রিয়া শুরু: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বেলাবোতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

আখাউড়া থেকে ৩০ ঘন্টা সাঁতরে নরসিংদী পৌঁছলেন বকুল সিদ্দিকী

মোমেন খান | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৬২ বার
13

মোমেন খান | নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মানবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে টানা ৩০ ঘণ্টা সাঁতার কেটে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মনিপুরা বাজার ঘাটে পৌঁছেছেন স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক।

গতকাল শুক্রবার সকাল ১১ টায় রওয়ানা দিয়ে আজ শনিবার বিকাল ৪.৪৯ টায় পৌছান। এ সময় তার পাহারায় ছিলেন নৌকা, স্বেচ্ছাসেবী ও তাকে সাহস দেয়ার জন্য এলাকার কিছু যুবকও সহযাত্রী হিসেবে ছিলেন।

ওই পল্লী চিকিৎসক বকুল সিদ্দিকী (৫০) নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিল্লা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

তার দাবি তিনি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেষা এলাকা আখাউড়া জিরো পয়েন্ট ঘাট থেকে সাঁতার শুরু করে খড়মপুর, হাওর মেঘনা নদীতে শনিবার নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা বাজার ঘাট পর্যন্ত বেলা ৪.৪৯ টায় বিরতীহীন প্রায় ৩০ ঘন্টা সময় নেন।

সাঁতারকে কেন্দ্র করে মেঘনা নদীতে বিভিন্ন নৌকা ও স্পিডবোটে শত শত উৎসুক দর্শক উপস্থিত হন। রায়পুরা প্রান্তে পৌঁছলে সাঁতারু বকুল সিদ্দিকীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করেন।

আয়োজক কমিটির সদস্য বজলুর রহলান ফাহিম বলেন, আখাউড়া জিরো পয়েন্ট থেকে সাতার শুরু করে বিরতিরহীন সাঁতরে রেকর্ড করেন। সাঁতারের সময় সঙ্গে ভলান্টিয়ার স্পিটবোটে করে নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করেন। আমরা ধারণা করছি, তিনি প্রায় ৩০০ কিমি পথ অতিক্রম করেছেন।

বকুল সিদ্দিকী বলেন, ছোটকাল থেকে সাঁতার কেটে অভ্যস্ত। নিয়মিত সাঁতারে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হূদেরাগ ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি অনেক কম। সাঁতারের আছে নানা স্বাস্থ্যসুফল। পল্লী চিকিৎসক হিসেবে রোগীদের পরামর্শ দিয়ে যেতাম। তারি উপলব্ধি থেকে প্রতিদিন সাঁতার কাটতাম। প্রবল ইচ্ছে শক্তি নিয়ে কাজটা বাড়িয়ে দেই। গিনেজ বুকে নাম লিখানোর ইচ্ছে পোষন করেই আজকে আমার এ কার্যক্রম। পানিতে সাঁতার কাটাবস্থায় কিছু খাবার খেয়েছি এবং পানি ও জুস পান করেছি। ভবিষ্যতে সাঁতারে বিশ্বরেকর্ড করার ইচ্ছে রয়েছে আমার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে দালালের খপ্পরে পড়ে প্রবাসে পাড়ি জমান বকুল সিদ্দিকী। ওই সময় থাইল্যান্ড থেকে সাগরপথে ১৮ ঘণ্টা সাঁতার কেটে মালয়েশিয়ায় পৌছান। সেই থেকে সাঁতারে তার মনোবল আরও বেড়ে যায়। পরে দেশে ফিরলে এলাকাবাসীর উৎসাহে বকুল সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

সর্বপ্রথম ২০১৯ সালে বর্ষাকালে মেঘনা নদীতে ১৭ কিলোমিটার সাঁতরে এলাকায় সবার নজরে আসেন বকুল সিদ্দিকী। পরে পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট ৫.১০ ঘন্টা। ২০২১ সালের ৩ আগস্ট মেঘনা নদীতে টানা ৬ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার সাঁতার কেটেছেন তিনি।

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT