1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গয়েশপুর পদ্মলোচন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮১তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবপুরে বসুন্ধরা শুভ সংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে সর্বপ্রথম কাজ শুরু করেছিলেন জিয়াউর রহমান: মঈন খান নরসিংদীতে অর্থনৈতিক শুমারী-২৪ এর ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত মার্সেল ফ্রিজ কিনে ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার পেলেন নরসিংদীর গৃহিণী মমতাজ বেগম পলাশে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন প্রতিরোধ সচেতনতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা নরসিংদীতে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হলেন নরসিংদীর সন্তান মো. রোমান মিয়া নরসিংদীতে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ নির্মাণের অনুমোদন অধ্যাপক আনোয়ারা হোসেন এর স্বরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রায়পুরায় নিখোঁজের ৫ দিন পর ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদীর কন্ঠস্বর
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৬০ বার
Oplus_131072
71

নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের ৫ দিন পর হাবি মিয়া (৪৫) নামে এক ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের মেঘনা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে করিমপুর নৌ ফাঁড়ি পুলিশ।

নিহত হাবি মিয়া (৪৫) নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদনগর গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন ট্রলার চালক ছিলেন। রাতে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছে করিমপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি নরসিংদী সদর থানায় হাবি মিয়ার নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় ট্রলার নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় হাবি মিয়া। ঐদিন তার ব্যবহৃত ট্রলারটি পাওয়া গেলেও তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ৫ দিন পর রোববার সন্ধ্যায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নিলক্ষা গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে তার লাশ ভেসে ওঠে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া গণমাধ্যমে বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আওয়ামী দোসরা প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচার জন্য এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আমি আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আছি। আমার সাথে রাজনৈতিক মতবিরোধের ফলে আমার ভাইকে খুন করে থাকতে পারে। আমরা আশাবাদী পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে বিচার নিশ্চিত করবেন।”

করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, “লাশের পায়ে রশি দিয়ে বাঁধা ছিলো, মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড মনে হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার হতে এখনও মামলা দায়ের করেনি। মামলা দায়েরের পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
###

আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT