1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

মনোহরদীতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা

মনোহরদী প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩
  • ১৯৬ বার

মনোহরদী প্রতিনিধি : ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নরসিংদীর মনোহরদীতে জাহাঙ্গীর হোসেন (২৭) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শাহীন (২০) এবং তানজিল (২৬) নামে আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

রবিবার (১১ জুন) দুর্বৃত্তদের হাতে আহত হলেও শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়।

নিহত জাহাঙ্গীর মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের উরুলিয়া গ্রামের মৃত আলাল উদ্দিনের ছেলে এবং এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে নিহতের পরিবার, পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে উরুলিয়া ও মির্জাপুর গ্রামের মধ্যে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মির্জাপুর গ্রামের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়।

এ ঘটনার ১৪ দিন পর (১১ জুন) রোববার বিকালে জাহাঙ্গীর তার দুই বন্ধু শাহীন ও তানজীলকে নিয়ে চালাকচর বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে নিজ গ্রাম উরুলিয়ায় ফিরছিল।

জাহাঙ্গীর তার বন্ধুদের নিয়ে চালাকচর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বড় মির্জাপুর গ্রামের মোজাম্মেল, ইবরাহিম, মোশাররফ হোসেন, জামাল উদ্দিন এবং আবু বকরসহ ১০-১২ জন মিলে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার দুই বন্ধু শাহীন ও তানজীলকে বেধড়ক মারধর করে। দুর্বৃত্তদের মারধরে জাহাঙ্গীর হোসেন ও শাহীন মিয়া রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তানজীল গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে দৌঁড়ে গিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেয়।

এ সময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সঙ্ঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর কে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে এবং শাহীনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জাহাঙ্গীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে আইসিইউতে পাঠানো হয়। ঘটনার ৫ দিন পর শুক্রবার ১৭ জুন জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সুমন মিয়া বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় গত ১৫ জুন অভিযুক্ত ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মারধরের মামলা করেন।

এ বিষয়ে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থানায় একটি মারপিটের অভিযোগ করা হয়েছিল। এটি এখন হত্যাকাণ্ডের ধারায় পরিণত হবে।

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT