সাব্বির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর পলাশে বান্ধবীর বাবাসহ দুইজন মিলে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাফিজুর রহমান (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার সানেরবাড়ী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পলাশ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমান জিনারদী ইউনিয়নের আতসীপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
পলাশ থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী পলাশের একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গতকাল বুধবার বিকেল তিনটার দিকে আতসীপাড়া গ্রামের এক প্রতিবেশী বান্ধবী বাড়িতে যান ওই স্কুল ছাত্রী। পরে তার সাথে গল্প ও সাইকেল চালিয়ে সময় কাটায়। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ভুক্তভোগী ছাত্রী নিজেদের বাড়ি যেতে চাইলে বান্ধবীর বাবা অর্জুন বাদশা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। এসময় বান্ধবীর বাবা-মা একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল। পরে অর্জুন বাদশা ও হাফিজুর রহমান ওই স্কুল ছাত্রীকে টানতে টানতে রাস্তার দিকে নিয়ে যায়। এসময় ওই ছাত্রী ডাক চিৎকার করলে তার ডান চোখের ওপর ঘুষি মেরে নীলাফুলা জখম করে এবং ওড়না দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে।
পরে ৭টার দিকে আতসীপাড়া ব্রীজের পাশে একটি কলাবাগানের ভিতর নিয়ে ছাত্রীর হাত-মুখ চাপ দিয়ে ধরে রাখে হাফিজুর রহমান। পরে অর্জুন বাদশা তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে অর্জুন একই কায়দায় ওই ছাত্রীর মুখ ও হাত চাপ দিয়ে ধরে রাখলে হাফিজুরও ধর্ষণ করে। পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ শেষে অর্জুন বাদশা ৫০০ টাকার একটি নোট দিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে কিছু কিনে নিতে বলেন এবং এ ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলতে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
পরে প্রতিবেশী এক রিক্সা চালক তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাদের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর শরীরে ও জামায় কাদামাটি এবং আঘাতের চিহ্ন দেখে তার মা এসব বিষয় জানতে চান। পরে এ ধর্ষণের কথা মাকে বিস্তারিত খুলে বলেন।
পলাশ থানার ওসি (তদন্ত) মো: কুতুবুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরজনকেও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
প্রধান উপদেষ্টা: মো: আশাদউল্লাহ মনা
সম্পাদক: সাব্বির হোসেন
ঘোড়াশাল,পলাশ,নরসিংদী, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ: +৮৮০১৭১৫৪০৮৩৪০
নরসিংদী কন্ঠস্বর @২০২৩