1. admin@narsingdirkanthosor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্ত্রী হওয়ায় নির্বাচনী এলাকায় বইছে আনন্দের বন্যা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নরসিংদীর সারোয়ার হোসেন মৃধা রায়পুরায় নতুন থানা গঠন: চররায়পুরা থানা উন্নয়ন কমিটির আত্মপ্রকাশ ব্রাহ্মন্দী কামিনী কিশোর মল্লিক কেন্দ্রে গণতন্ত্রের উৎসব, ধানের শীষের নিরঙ্কুশ জয় বকুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় বেলাব-মনোহরদীর জনগণ বিএনপি নির্বাচিত হলে ১৬ বছরের দুঃসহ যন্ত্রণার লাঘব হবে: ড. মঈন খান ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’ প্রকাশ করল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রায়পুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধে কিশোর নিহত, আহত ১০ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ডাকসুর প্রথম ভিপি মনু মিয়ার ১০৪ তম জন্মদিন পালন নারীদের প্রতি জামায়াত আমীরের অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে বেলাবতে মানববন্ধন

বেলাবতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, ৬ মাসেও আসামি গ্রেপ্তার হয়নি

আলমগীর পাঠান | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৪৭ বার
Oplus_131072

আলমগীর পাঠান, নিজস্ব প্রতিবেদক: নরসিংদীর বেলাবতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার না করায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। রবিবার (১৭ আগস্ট) বিকালে বেলাব প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তামিম মিয়ার বাবা নারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য মো: জুয়েল মিয়া লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১ মার্চ ২০২৫ তারিখে তার ছেলে মো: তামিম মিয়া (১৩) ভাতিজা শাওন ও আপনকে নিয়ে নারায়নপুর বাজারে কবুতর বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় ১। বিল্লাল মিয়া (৪০), পিতা: ফিরোজ মিয়া, ২। মোজাহিদ (২০), পিতা: বিল্লাল মিয়া, ৩। ইউসিন মিয়া (২২) পিতা: কালাম মিয়া সর্বসাং কাঙ্গালিয়া, ৪। সজিব আহমেদ দুলাল (৩৮), পিতা: ফিরোজ মিয়া, সাং মরিচা কান্দি সর্ব থানা বেলাব জেলা নরসিংদী সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার ছেলে মো: তামিম মিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর শাওন ও আপন নামে আমার দুই ভাতিজা নারায়নপুর বাজার থেকে আমাকে ফোন করে অপহরণের বিষয়টি জানায়।

অল্প সময়ের মধ্যেই আমার মোবাইলে বিল্লাল মিয়ার একটি ফোন আসে। প্রথমে তামিম কাঁদতে কাঁদতে মুক্তিপণ বাবদ ১০ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে, পরে বিল্লাল মিয়া ফোনে হুমকি দিয়ে বলেন, “এক ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখ টাকা না দিলে তোমার ছেলেকে মেরে ফেলব।”
পরিস্থিতি জানাজানি হলে বেলাব থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় কাঙ্গালিয়ায় বিল্লালের বাড়ি থেকে তামিমকে উদ্ধার করা হয়। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে বেলাব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০০) এর ৭/৮/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং-৩/৩/২৫)।

সংবাদ সম্মেলনে জুয়েল মিয়া অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি বিল্লাল মিয়া স্থানীয় নারায়ণপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না। দীর্ঘ ৬ মাসেও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতা কামনা করে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বেলাব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, বেলাব থানা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে, সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই অপহৃত তামিম মিয়াকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্কান্তর করে। আমরা আসামী ধরার চেষ্টা করছি। খুব দ্রুত উক্ত মামলার সকল আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

আরো খবর..
© নরসিংদীর কন্ঠস্বর
Developed By Bongshai IT