এম আজিজুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক : নরসিংদীর রায়পুরায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গভীর শ্রদ্ধায় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ ‘বাংলার ঈগল’ এ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের বীরত্বগাথা ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীতে কর্মরত বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তানের করাচির মাশরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভারতের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় পাকিস্তানি পাইলট রাশেদ মিনহাজের বাধার মুখে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের থাট্টা এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এতে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান শাহাদাতবরণ করেন।
প্রসঙ্গত, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডের ‘মোবারক লজ’-এ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রামনগর গ্রামে, যা বর্তমানে ‘মতিউরনগর’ নামে পরিচিত। নয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ষষ্ঠ। তাঁর বাবা মৌলভী আবদুস সামাদ এবং মা সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন।
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বগাথা তুলে ধরতে ২০০৮ সালে তাঁর নিজ গ্রামে ‘বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি গ্রন্থাগার ও জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা: মো: আশাদউল্লাহ মনা
সম্পাদক: সাব্বির হোসেন
ঘোড়াশাল,পলাশ,নরসিংদী, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ: +৮৮০১৭১৫৪০৮৩৪০
নরসিংদীর কন্ঠস্বর @২০২৬